প্রবাস বাংলা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ

আবেরা ন্যান্সী, হেলসিংকি:

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আলোচনা সভা, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে  ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী মোঃ রমজান।

হেলসিংকিতে দলের এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি খন্দকার এনামুল হক শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন বকুল, মঞ্জুর রহমান, মোঃ খালেদুল ইসলাম জিতু, আতাউর রহমান রুহেল, শিক্ষা সম্পাদক তানভীর আহমেদ, ইমন আহমেদ, নাজমুল হাসান লিটন, আরিফুর রমান, শেখ সেলিম, শেখ সোহেল, সায়েম হোসেন, জাহিদ চৌধুরী, মহিবুল ইসলাম, সৌরব প্রমুখ।

খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের যতই বাঁচানোর চেষ্টা করুন না কেন, এই মার্চে রাজাকারদের ঠাঁই বাংলার মাটিতে নেই, বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। আলোচনা সভায় বিরোধী দলের নেত্রীর সমালোচনা করে নেতারা বলেন, মার্চ মুক্তিযুদ্ধের মাস, স্বাধীনতার মাস। এ মাসকেই তিনি (খালেদা) বেছে নিয়েছেন স্বাধীনতার শত্রুদের খুশি করতে।
আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। স্বাধীনতার চেতনায় দেশকে গড়ে তুলব।

তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে। ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। যখন থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে, তখন থেকেই বিরোধী দলের নেত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। যতই ষড়যন্ত্র করুন না কেন, তাদের রক্ষা করতে পারবেন না।

বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, কথায় কথায় দেশ বিক্রির কথা বলেন। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আপনিই দেশ বিক্রি করেছেন। আদালতে ফাঁস হয়ে গেছে নির্বাচনের আগে আপনি আইএসআইর কাছ থেকে ৫ কোটি রুপি নিয়েছিলেন। দেশ বিক্রির কথা বলেন, যাদের আমরা পরাজিত করেছি তাদের কাছ থেকে কেন আপনি টাকা নিলেন। তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আপনি দেশ বিক্রি করেছেন।

নেতারা বলেন, পরাজিত পাকিস্তানের কাছ থেকে কেন টাকা নিয়েছিলেন জাতির কাছে এর জবাব দিতে হবে। পাকিস্তানের কাছ থেকে যারা টাকা নেয় তারা আবার দেশ বিক্রির কথা বলে, চোরের মায়ের বড় গলা।
সংবিধান সংশোধন করে স্বাধীনতার চেতনায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে তারা বলেন, বিএনপি ভোট চুরি করে বলেই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে যত নির্বাচন হয়েছে, তার কোনোটিতেই কারচুপি হয়নি, একটি জীবনও ক্ষয় হয়নি। এ জন্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর দরকার নেই। বিএনপি ক্ষমতায় আসে লুট করার জন্য আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারাবলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে কি উনাকে কোলে তুলে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার উনাকে জেল নিয়ে ছিলো আর উনার ছেলেদের উত্তম মাধ্যম দিয়ে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে। এবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে তাদের ধরে এনে জেলে পুরবে।

তাদের আমলে ১৪-১৫ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। দেড় হাজার সাংবাদিককে নির্যাতন করা হয়েছে, ৭০০ কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। তারা কি অত্যাচার নির্যাতন করেছিল, বাংলার মানুষ তা মনে রখেছে।

ক্ষমতায় গিয়ে খালেদা জিয়া এতিমের টাকা মেরে খেয়েছে। তার ছেলেরা মানি লন্ডারিং করেছে। তাদের বিচার কি বাংলার মাটিতে হবে না।

Advertisements

About EUROBDNEWS.COM

Popular Online Newspaper

Discussion

Comments are closed.

%d bloggers like this: